বি আর১৯
বোরো
- মৌসুম
- বোরো
- শস্য বিন্যাস
- বোরো-পতিত-পতিত, বোরো-পতিত-রোপা আমন , সরিষা-বোরো-পতিত
- জমির ধরন
- সেচ নির্ভর মধ্যম উঁচু, মধ্যম নিচু ও নিচু অঞ্চল
- উপযুক্ত এলাকা
- হাওর অঞ্চল
জাত পরিচিতি
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট পরীক্ষা নিরীক্ষা করে হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ হাওড় এলাকার উপযোগী বলে এই জাতটি ইন্দোনেশিয়া থেকে এদেশে প্রবর্তন করেছে। জাতীয় বীজ বোর্ড ১৯৮৫ সালে জাতটিকে বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য বি আর১৯ নামে অনুমোদন দেয়। এ জতের জনপ্রিয় নাম মঙ্গল। এটি হাওড় অঞ্চলের ধান।
জাতের বৈশিষ্ট্য
র্পূণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১১০ সেমি।
বিশেষ প্রয়োজনীয়তা
হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এর হাওর এলাকার উপযোগী জাত। জাতটি হাওর, বাওর এলাকায় বিশেষ উপযোগী। গাছের উচ্চতা ১১০ সেমি হওয়ায় ধান পাকার সময় হঠাত বন্যায় মাঠে কোমর পানি হলেও ফসল কাটা যায়।
জীবনকাল
ফলন
অ্যামিলোজ
চাষাবাদ পদ্ধতি
১. বীজতলায় বীজ বপনঃ ৩০ অক্টোবর –১৪ নভেম্বর; (কৃষি অঞ্চল এবং
ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন হতে পারে)
২. চারাবয়স ও রোপণদূরত্বঃ ৪০-৪৫ দিন এবং চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব ২৫ সেমি অথবা ২০ সেমি×২০ সেমি
৩. চারা রোপণের সময়ঃ ১০ ডিসেম্বর
- ১ জানুয়ারী; (কৃষি অঞ্চল এবং
ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন হতে পারে)
৪. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি
সুস্থ সবল চারা
৫. সার ব্যবস্থাপনা (কেজি/বিঘা): ইউরিয়া-টি এস পি/ ডি এ পি- এম ও
পি-জিপসাম-দস্তা (মনো হাইড্রেট); ৪০-১৩-২২-১৫-১.৫
৬. আগাছা দমনঃ
তিনটি অপশনঃ
•
হাত নিড়ানিঃ তিনবার হাত
নিড়ানি। ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর একবার, ৩০-৩৫
দিন পর একবার এবং যদি প্রয়োজন হয়, ৪০-৪৫ দিন পর একবার
•
আগাছানাশক প্রয়োগঃ প্রি
বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ এবং পরবর্তিতে ৩৫-৪৫ দিন পর একবার হাত
নিড়ানি। প্রি- ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে আগাছা জন্মানোর আগে (৩-৫দিন পর) এবং পোস্ট
ইমারজেন্স আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০ দিন) প্রয়োগ করতে হবে।
•
নিড়ানি যন্ত্রের সাহায্যে
আগাছা দমনঃ লাইন করে ধান লাগানোর ১৫-১৮ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে
৩০-৪৫ দিন পর একবার হাত দিয়ে নিড়ানি।
৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ চারা
রোপনের ১৫ দিন পর থেকে কাইচ থোড় অবস্থা পর্যন্ত জমিতে এডব্লিউডি পদ্ধতিতে সেচ
প্রদান করতে হবে। কাইচ থোড় অবস্থা থেকে পরিপূর্ন ফুল আসা পর্যন্ত জমিতে দাঁড়ানো
পানি রাখতে হবে। স্থানভেদে ধান পরিপক্ক হওয়ার ১০-১৫ পূর্বে দিন সেচ প্রদান বন্ধ করতে
হবে এবং জমি থেকে দাঁড়ানো পানি বের করে দিতে হবে।