ব্রি ধান৮৭
আমন
- মৌসুম
- আমন
- শস্য বিন্যাস
- আলু-মুগ-রোপা আমন, বোরো-পতিত-রোপা আমন, আলু-বোরো-রোপা আমন, ঝাড়শিম-বোরো-রোপা আমন
- জমির ধরন
- মাঝারি উঁচু থেকে উঁচু
- উপযুক্ত এলাকা
- রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ অঞ্চলসহ, জলাবদ্ধতা এলাকা ব্যতিত বাংলাদেশের সকল অঞ্চলে চাষ করা যায়।
জাত পরিচিতি
জাতের বৈশিষ্ট্য
পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১২২ সে:মি:।
কান্ড শক্ত তাই গাছ লম্বা হলেও ঢলে পড়েনা।
পাতা হালকা সবুজ, ডিগপাতা খাড়া ও ব্রি ধান৪৯ এর চেয়ে লম্বা এবং প্রশস্থ।
বিশেষ প্রয়োজনীয়তা
জীবনকাল
ফলন
অ্যামিলোজ
চাষাবাদ পদ্ধতি
১. বীজতলায় বীজ বপনঃ ১৫ জুন-৭ জুলাই
২. চারা বয়স ও রোপণ দূরত্বঃ ২০-২৫ দিন, চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব ২৫সেমি / ২০সেমি×২০ সেমি
৩. চারা রোপণের সময়ঃ ৫জুলাই- ৫
অগাস্ট
৪. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি সুস্থ সবল চারা
৫. সার ব্যবস্থাপনা (কেজি/বিঘা): এটি
একটি আলোক অসংবেদনশীল দীর্ঘ ও মধ্যম মেয়াদি ধানের জাত
সারের মাত্রাঃ ইউরিয়া-টিএসপি/ডিএপি-এমওপি-জিপসাম
(কেজি/বিঘা): ২৬-৮-১৪-৯
জমি তৈরীর শেষ চাষে সমুদয় ডিএপি/টিএসপি, এমওপি ও জিপসাম প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া
সমান তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। ১ম কিস্তি চারা রোপনের ৭-১০ দিন পর, ২য় কিস্তি
চারা রোপনের ২৫-৩০ দিন পর এবং ৩য় কিস্তি কাইচ থোড় আসার ৫-৭ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে
হবে।
Ø ডিএপি সার
ব্যবহার করলে সব ক্ষেত্রেই প্রতি কেজিতে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া কম প্রয়োগ করলেই হবে।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
৬. আগাছা দমনঃ তিনটি অপশন
·
হাত নিড়ানিঃ দুইবার
নিড়ানি।ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর একবার,
৩৫-৩৪দিন পর একবার আগাছানাশক প্রয়োগঃ প্রি বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ
এবং পরবর্তিতে ৩৫-৪০দিন পর একবার হাত নিড়ানি। প্রি- ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে
আগাছা জন্মানোর আগে (৩-৫দিন পর) এবং পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০
দিন) প্রয়োগ করতে হবে।
·
নিড়ানি যন্ত্রের
সাহায্যে আগাছা দমনঃ লাইন করে ধান লাগানোর
১২-১৫ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে ৩০-৪০ দিন পর একবার হাত দিয়ে নিড়ানি।
৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ আমন ধান বৃষ্টিনির্ভর হলেও চারা রোপনের উপযুক্ত সময়ে বৃষ্টি না হলে প্রয়োজনে সম্পুরক সেচ দিয়ে রোপন করতে হবে। ধানের প্রজনন পর্যায়ের কাইচ থোড় অবস্থা থেকে পরিপক্ক পর্যায়ের দুধ অবস্থা পর্যন্ত অনাবৃষ্টিজনিত খরা দেখা দিলে কাঙ্খিত ফলনের জন্য জমিতে অবশ্যই সম্পূরক সেচ প্রদান করতে হবে।
৮. ফসলপাকা ও কর্তনঃ ১০ কার্তিক - ১ অগ্রহায়ণ (২৬ অক্টোবর - ১৬ নভেম্বর)