ব্রি ধান৩৫

বোরো

ব্রি ধান৩৫
মৌসুম
বোরো
শস্য বিন্যাস
বোরো-পতিত-রোপা আমন, বোরো-পতিত-পতিত, বোরো- রোপা আউশ -রোপা আমন, সরিষা-বোরো-রোপা আমন, সরিষা-বোরো-পতিত, বোরো-বোনা আমন, পতিত-আউশ-রোপা আমন
জমির ধরন
সেচ নির্ভর উঁচু ও মাঝারি উঁচু, এবং মাঝারি নিচু ও নিচু জমি
উপযুক্ত এলাকা
সাধারণত বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চল
তুলনা করতে লগইন করুন জাত তালিকায় ফিরুন

জাত পরিচিতি

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট উদ্ভাবিত ধান ব্রি ধান৩৫  বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য ১৯৯৮ সালে অনুমদন লাভ করে।

জাতের বৈশিষ্ট্য

পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১০৫ সেমি।

চাল খাটো ও মোটা।

বিশেষ প্রয়োজনীয়তা

এই জাতটি বাদামী গাছফড়িং সহনশীল জাত।

জীবনকাল

১৫৫ দিন

ফলন

বোরো মৌসুমে ফলন হেক্টর প্রতি প্রায় ৫.০ টন

অ্যামিলোজ

২৫.৬%

চাষাবাদ পদ্ধতি

১. বীজতলায় বীজ বপনঃ ১৬ নভেম্বর – ৮ ডিসেম্বর (কৃষি অঞ্চল এবং ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন হতে পারে)

২. চারা বয়স ও রোপণ দূরত্বঃ ৪০-৪৫ দিন,

চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব ২০ সেমি (বিআর৭), অথবা ২০সেমি×২০ সেমি

চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব ২৫ সেমি (বিআর৮, বিআর৯ বিআর১৪ ব্রি ধান৩৫)

৩. চারা রোপণের সময়ঃ ২৫ডিসেম্বর- ২৩ জানুয়ারী (কৃষি অঞ্চল এবং ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন হতে পারে)

৪. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি সুস্থ সবল চারা

৫. সার ব্যবস্থাপনা (কেজি/বিঘা): ইউরিয়া-টি এস পি/ ডি এ পি- এম ও পি-জিপসাম-দস্তা (মনো হাইড্রেট); ৪০-১৩-২২-১৫-১.৫

৬. আগাছা দমনঃ

তিনটি  অপশনঃ

        হাত নিড়ানিঃ তিনবার হাত নিড়ানি। ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর একবার, ৩০-৩৫ দিন পর একবার এবং যদি প্রয়োজন হয়, ৪০-৪৫ দিন পর একবার

        আগাছানাশক প্রয়োগঃ প্রি বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ এবং পরবর্তিতে ৩৫-৪৫ দিন পর একবার হাত নিড়ানি। প্রি- ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে আগাছা জন্মানোর আগে ( ৩-৫দিন পর) এবং পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০ দিন) প্রয়োগ করতে হবে।

        নিড়ানি যন্ত্রের সাহায্যে আগাছা দমনঃ লাইন করে ধান লাগানোর ১৫-১৮ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে ৩০-৪৫ দিন পর একবার হাত দিয়ে নিড়ানি।

৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ চারা রোপনের ১৫ দিন পর থেকে কাইচ থোড় অবস্থা পর্যন্ত জমিতে এডব্লিউডি পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করতে হবে। কাইচ থোড় অবস্থা থেকে পরিপূর্ন ফুল আসা পর্যন্ত জমিতে দাঁড়ানো পানি রাখতে হবে। স্থানভেদে ধান পরিপক্ক হওয়ার ১০-১৫ দিন পূর্বে সেচ প্রদান বন্ধ করতে হবে এবং জমি থেকে দাঁড়ানো পানি বের করে দিতে হবে।

. ফসল পাকা ও কর্তনঃ ১ - ১৫ বৈশাখ (১৪ - ২৮ এপ্রিল)