ব্রি ধান৩৬
বোরো
- মৌসুম
- বোরো
- শস্য বিন্যাস
- বোরো-পতিত-রোপা আমন, বোরো-পতিত-পতিত, বোরো- রোপা আউশ -রোপা আমন, সরিষা-বোরো-রোপা আমন, সরিষা-বোরো-পতিত, বোরো-বোনা আমন, পতিত-আউশ-রোপা আমন
- জমির ধরন
- সেচ নির্ভর উঁচু ও মাঝারি উঁচু, এবং মাঝারি নিচু ও নিচু জমি
- উপযুক্ত এলাকা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চল তবে ঠান্ডা সহিষ্ণু হওয়ায় ঠান্ডা প্রবণ অঞ্চলে ভাল হয়।
জাত পরিচিতি
জাতের বৈশিষ্ট্য
পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ৯০ সেমি।
বিশেষ প্রয়োজনীয়তা
জীবনকাল
ফলন
অ্যামিলোজ
চাষাবাদ পদ্ধতি
১. বীজতলায় বীজ বপনঃ ১৫-২৯ নভেম্বর ( কৃষি অঞ্চল এবং ইকো সিস্টেম ভেদে
ভিন্ন হতে পারে)
২. চারা বয়স ও রোপণ দূরত্বঃ ৩৫-৪০ দিন, চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব
২০সেমি অথবা ২০সেমি×২০ সেমি
৩. চারা রোপণের সময়ঃ ২০ ডিসেম্বর-
১০ জানুয়ারি ( কৃষি অঞ্চল এবং ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন হতে পারে)
৪. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি সুস্থ সবল চারা
৫. সার ব্যবস্থাপনা (কেজি/বিঘা): ইউরিয়া-টি এস পি/ ডি এ পি- এম ও
পি-জিপসাম-দস্তা (মনো হাইড্রেট); ৩৫-১২-২০-১৫-১.৫(
স্বল্প জীবনকাল জাতের জন্য); ৪০-১৩-২২-১৫-১.৫ (দীর্ঘ মেয়াদি
জাতের জন্য)
৬. আগাছা দমনঃ
তিনটি অপশনঃ
•
হাত নিড়ানিঃ দুইবার বা
তিনবার হাত নিড়ানি।ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর একবার, ৩০-৩৫ দিন পর একবার এবং যদি প্রয়োজন হয়, ৪০-৪৫
দিন পর একবার
•
আগাছানাশক প্রয়োগঃ প্রি
বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ এবং পরবর্তিতে ৩৫-৪০ দিন পর একবার হাত
নিড়ানি। প্রি- ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে আগাছা জন্মানোর আগে (৩-৫দিন পর) এবং
পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০ দিন) প্রয়োগ করতে হবে।
•
নিড়ানি যন্ত্রের সাহায্যে
আগাছা দমনঃ লাইন করে (২০সেমি ×২০ সেমি) ধান লাগানোর
১৫-১৮ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে ৩০-৪০ দিন পর একবার হাত দিয়ে
নিড়ানি।
৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ চারা
রোপনের ১৫ দিন পর থেকে কাইচ থোড় অবস্থা পর্যন্ত জমিতে এডব্লিউডি পদ্ধতিতে সেচ
প্রদান করতে হবে। কাইচ থোড় অবস্থা থেকে পরিপূর্ন ফুল আসা পর্যন্ত জমিতে দাঁড়ানো
পানি রাখতে হবে। স্থানভেদে ধান পরিপক্ক হওয়ার ১০-১৫ দিন পূর্বে সেচ প্রদান বন্ধ
করতে হবে এবং জমি থেকে দাঁড়ানো পানি বের করে দিতে হবে।