ব্রি ধান৮৯
বোরো
- মৌসুম
- বোরো
- শস্য বিন্যাস
- বোরো-পতিত-রোপা আমন, বোরো-মাছ (কার্প/সরপুটি), আলু-বোরো (দ্বিরোপণ)-রোপা আমন, সরিষা-বোরো-রোপা আমন, বোরো-রোপা জলি আমন
- জমির ধরন
- সেচ নির্ভর উঁচু ও মাঝারি উঁচু, এবং মাঝারি নিচু ও নিচু জমি
- উপযুক্ত এলাকা
- লবনাক্ত ও পাহাড়ী এলাকা ব্যতিত বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চল
জাত পরিচিতি
জাতের বৈশিষ্ট্য
পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১০৬ সে:মি:।
কান্ড শক্ত, পাতা হালকা সবুজ, ডিগপাতা চওড়া।
ধানের ছড়া লম্বা, পাকার সময় কান্ড ও পাতা
সবুজ থাকে।
বিশেষ প্রয়োজনীয়তা
জীবনকাল
ফলন
অ্যামিলোজ
চাষাবাদ পদ্ধতি
১. বীজতলায় বীজ বপনঃ ১-১০ নভেম্বর ( কৃষি অঞ্চল এবং ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন
হতে পারে)
২. চারা বয়স ও রোপণ দূরত্বঃ ৪০-৪৫ দিন, চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব ২৫সেমি
৩. চারা রোপণের সময়ঃ ১০ ডিসেম্বর- ২৫ ডিসেম্বর ( কৃষি অঞ্চল
এবং ইকো সিস্টেম ভেদে ভিন্ন হতে পারে)
৪. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি সুস্থ সবল চারা
৫. সার ব্যবস্থাপনা (কেজি/বিঘা): এটি
একটি দীর্ঘ মেয়াদী বোরো ধানের জাত্
সারের মাত্রাঃ ইউরিয়া-টিএসপি/ডিএপি-এমওপি-জিপসাম-দস্তা যথাক্রমে ৪০-১৩-২২-১৫-১.৫
জমি তৈরীর শেষ চাষে সমুদয় ডিএপি/টিএসপি, এমওপি, জিপসাম ও দস্তা সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া সমান ভাগে তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। নিম্ন উর্বর
জমির ক্ষেত্রে ১ম কিস্তি জমি চাষের শেষ পর্যায়ে, ২য় কিস্তি চারা রোপনের ৩০-৩৫ দিন পর,
৩য় কিস্তি কাইচ থোড় আসার ৫-৭ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে।তবে মধ্যম ও উর্বর জমির ক্ষেত্রে
১ম কিস্তি ইউরিয়া সার চারা রোপনের ১৫-২০ দিন পর, ২য় কিস্তি চারা রোপনের ৩০-৩৫ দিন পর
এবং ৩য় কিস্তি কাইচ থোড় আসার ৫-৭ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে।
গুটি ইউরিয়া প্রয়োগের ক্ষেত্রে কাইচ থোড় আসার সময় যদি নাইট্রোজেনের অভাব পরিলক্ষিত
হয়ে তবে বিঘা প্রতি ৪-৫ কেজি ইউরিয়া সার উপরিপ্রয়োগ করা যেতে পারে।
Ø ডিএপি সার
ব্যবহার করলে সব ক্ষেত্রেই প্রতি কেজিতে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া কম প্রয়োগ করলেই হবে।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
৬. আগাছা দমনঃ তিনটি অপশন
·
হাত নিড়ানিঃ
তিনবার হাত নিড়ানি। ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর একবার, ৩০-৩৫ দিন পর একবার এবং যদি
প্রয়োজন হয়, ৪০-৪৫ দিন পর একবার
·
আগাছানাশক
প্রয়োগঃ প্রি বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ এবং পরবর্তিতে
৩৫-৪৫ দিন পর একবার হাত নিড়ানি।প্রি-
ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে আগাছা জন্মানোর আগে ( ৩-৫দিন পর) এবং পোস্ট ইমারজেন্স
আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০ দিন) প্রয়োগ করতে হবে।
·
নিড়ানি যন্ত্রের
সাহায্যে আগাছা দমনঃ লাইন করে ধান লাগানোর
১৫-১৮ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে ৩০-৪৫ দিন পর একবার হাত দিয়ে নিড়ানি।
৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ চারা রোপনের ১৫
দিন পর থেকে কাইচ থোড় অবস্থা পর্যন্ত জমিতে এডব্লিউডি পদ্ধতিতে সেচ প্রদান করতে হবে।
কাইচ থোড় অবস্থা থেকে পরিপূর্ন ফুল আসা পর্যন্ত জমিতে দাঁড়ানো পানি রাখতে হবে। স্থানভেদে
ধান পরিপক্ক হওয়ার ১০-১৫ দিন পূর্বে সেচ প্রদান বন্ধ করতে হবে এবং জমি থেকে দাঁড়ানো
পানি বের করে দিতে হবে।
৮. ফসলপাকা ও কর্তনঃ ৫ - ২০ বৈশাখ (১৮ এপ্রিল - ৩ মে)