ব্রি ধান৯৮

আউশ

ব্রি ধান৯৮
মৌসুম
আউশ
শস্য বিন্যাস
আলু-রোপা আউশ-রোপা আমন, ভূট্টা-রোপা আউশ-রোপা আমন, ছোলা ডাল ফসল)-আউশ-রোপা আমন, তরমুজ-আউশ-রোপা আমন
জমির ধরন
মাঝারি উঁচু থেকে মাঝারি নিচু
উপযুক্ত এলাকা
রাজশাহী অঞ্চলের ক্ষরা প্রবন এলাকা ব্যতিত বাংলাদেশের সকল প্রায় সকল অঞ্চল
তুলনা করতে লগইন করুন জাত তালিকায় ফিরুন

জাত পরিচিতি

ব্রি ধান৯৮ রোপা আউশ মওসুমের ধানের জাত। জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ২০২০ সালে বীজটিকে অনুমোদন দেয়া হয়।

জাতের বৈশিষ্ট্য

আধুনিক উফশী ধানের সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।

পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১০৩-১০৬ সে:মি:।

ডিগ পাতা খাড়া, পাতার রঙ গাঢ় সবুজ।

ধানের দানার রঙ সোনালি।

চাল লম্বা, চিকন ও সাদা, ভাত ঝরঝরে।

বিশেষ প্রয়োজনীয়তা

এই জাতটি রোপা আউশ মওসুমের সল্প জীবনকালীন জাত (বিআর ২৬ এর সমান জীবনকাল)। ফলে গাছের জীবনকাল কম হওয়ায় রোপা আউশ মওসুমে ব্রি ধান৯৮ এর পর দ্রুত আমন ধান আবাদের সুযোগ তৈরি হবে।

জীবনকাল

১১২ দিন

ফলন

ফলন হেক্টর প্রতি প্রায় ৫.১ টন

অ্যামিলোজ

২৭.৯%

চাষাবাদ পদ্ধতি

. বীজতলায় বীজ বপনঃ ৫ -৩০ এপ্রিল

. চারা বয়স ও রোপণ দূরত্বঃ ১৫-২০ দিন, চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব ২০সেমি / ২০সেমি×২০ সেমি

. চারা রোপণের সময়ঃ  ১ মে- ১৫ মে

. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি সুস্থ সবল চারা

৫. সার ব্যবস্থাপনা (কেজি/বিঘা): সারের মাত্রাঃ ইউরিয়া-টিএসপি/ডিএপি-এমওপি-জিপসাম-দস্তা (কেজি/বিঘা): ২০-৭-১১- ৫ -০. ৫

এক তৃতীয়াংশ (১/৩) ইউরিয়া এবং টিএসপি/ডিএপি, এমওপি, গন্ধক (জিপসাম) ও দস্তা সারের পুরোটাই জমি শেষ চাষের সময় মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। ২য় কিস্তি ইউরিয়া সার (১/৩) গোছায় ৪-৫ টি কুশি দেখা ‍দিলে (সাধারণত রোপনের ১৫ দিন পর) প্রয়োগ করতে হবে। ৩য় কিস্তি ইউরিয়া সার (১/৩) কাইচথোড় আসার ৫-৭ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে।

Ø  ডিএপি সার ব্যবহার করলে সব ক্ষেত্রেই প্রতি কেজিতে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া কম প্রয়োগ করলেই হবে।

Ø  ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।

Ø  ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।

Ø  ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।

Ø  ধানের জমি তৈরির সময় বিঘাপ্রতি (৩৩ শতক) ৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনা পচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।

৬. আগাছা দমনঃ তিনটি অপশন

·  হাত নিড়ানিঃ দুইবার নিড়ানি। ধান লাগানোর  ১২-১৫ দিন পর একবার, ৩০-৩০দিন পর একবার

·  আগাছানাশক প্রয়োগঃ প্রি বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ  এবং পরবর্তিতে  ৩০-৩৫ দিন পর একবার হাত নিড়ানি।প্রি- ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে আগাছা জন্মানোর আগে ( ৩-৫দিন পর) এবং পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০ দিন) প্রয়োগ করতে হবে।

· নিড়ানি যন্ত্রের সাহায্যে আগাছা দমনঃ  লাইন করে ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে ৩-৩৫ দিন পর একবার হাত দিয়ে নিড়ানি।

৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ বৃষ্টিনির্ভর আউশ মওসুমে সময়মতো চারা রোপনের জন্য প্রয়োজনে সম্পুরক সেচ প্রদান করে জমি তৈরি করতে হবে। পরবর্তীতৈ অঙ্গজ বৃদ্ধি পর্যায়ে বৃষ্টি না হলে সম্পূরক সেচ প্রদান করতে হবে

৮. ফসলপাকা ও কর্তনঃ ১৫ - ৩০ শ্রাবণ (৩০ জুলাই - ১৪ আগষ্ট)