ব্রি ধান৬২
আমন
- মৌসুম
- আমন
- শস্য বিন্যাস
- বোরো-পতিত-রোপা আমন, পতিত-পতিত-রোপা আমন, সরিষা-বোরো-রোপা আমন, গম-পাট-রোপা আমন, পেঁয়াজ-পাট-রোপা আমন, সরিষা-আউশ-রোপা আমন, পতিত-আউশ-রোপা আমন
- জমির ধরন
- উঁচু ও মধ্যম উঁচু জমি
- উপযুক্ত এলাকা
- সাধারণত বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চল
জাত পরিচিতি
ব্রি ধান৬২ এর কৌলিক সারি নং BR7517-2R-27-3। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক Jirakateri এবং BRRI dhan39 এর সঙ্করাণের পর দুইবার র্যাপিড জেনারেশন এ্যাডভান্স (RGA) করে বংশানুক্রম নির্বাচনের (Pedigree Selection) মাধ্যমে উদ্ভাবিত। জাতটি ২০১৩ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক বোরো মৌসুমে জন্য অনুমোদন লাভ করে।
জাতের বৈশিষ্ট্য
ব্রি ধান৬২ পুষ্টি উপাদান জিংক সমৃদ্ধ
রোপা আমন ধানের আগাম জাত।
এর গড় উচ্চতা ১০২ সে.মি.।
চাল লম্বা, সরু এবং সাদা, মধ্যম মাত্রার
জিংক সমৃদ্ধ।
বিশেষ প্রয়োজনীয়তা
বিশ্বের প্রথম জিংক সমৃদ্ধ আমন ধানের
জাত ব্রি ধান৬২।
জীবনকাল
এটি একটি অগাম জাত, মাত্র ১০০ দিনে পাকে, যা ব্রি ধান৩৩ এর চেয়ে ১০-১২ দিন আগাম।এটি একটি অগাম জাত, মাত্র ১০০ দিনে পাকে, যা ব্রি ধান৩৩ এর চেয়ে ১০-১২ দিন আগাম।
ফলন
অ্যামিলোজ
চাষাবাদ পদ্ধতি
১. বীজতলায় বীজ বপনঃ ৫-১৪ জুলাই
২. চারাবয়স ও রোপণ দূরত্বঃ ২০-২৫
দিন; চারার দূরত্ব ১৫ সেমি×সারির দূরত্ব
২০ সেমি
৩. চারা রোপণের সময়ঃ ২৫ জুলাই-১০ আগস্ট
৪. চারার সংখ্যাঃ ২/৩ টি সুস্থ সবল চারা
৫. সার ব্যবস্থাপনা
আলোক অসংবেদনশীল স্বল্প মেয়াদী
আমন ধানের জাত।
সারের মাত্রাঃ ইউরিয়া-টিএসপি/ডিএপি-এমওপি-জিপসাম-দস্তা
(কেজি/বিঘা): ২০-৭-১১-৮
জমি তৈরির শেষ চাষে ১/৩ অংশ ইউরিয়া
এবং সমূদয় ডিএপি/টিএসপি, এমওপি ও জিপসাম প্রয়োগ করতে হবে। বাকি ইউরিয়া সমানভাগে দুই
কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। ১ম কিস্তি চারা রোপনের ১০-১৫ দিন পর এবং ২য় কিস্তি কাইচথোড়
আসার ৫-৭ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে।
গুটি ইউরিয়া প্রয়োগের ক্ষেত্রে কাইচথোড়
আসার সময় যদি নাইট্রোজেনের অভাব পরিলক্ষিত হয়ে তবে বিঘা প্রতি ৪-৫ কেজি ইউরিয়া সার
উপরি প্রয়োগ করা যেতে পারে।
Ø ডিএপি সার ব্যবহার করলে সব ক্ষেত্রেই প্রতি
কেজিতে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া কম প্রয়োগ করলেই হবে।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘা প্রতি (৩৩ শতক)
৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনাপচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া
ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘা প্রতি (৩৩ শতক)
৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনাপচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া
ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘা প্রতি (৩৩ শতক)
৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনাপচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া
ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
Ø ধানের জমি তৈরির সময় বিঘা প্রতি (৩৩ শতক)
৩০০ কেজি জৈব সার যেমন-ধইঞ্চা, আবর্জনাপচা সার, পচা গোবর, নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যকটেরিয়া
ব্যবহার করলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার শতকরা ২০-৩০ ভাগ কমানো সম্ভব।
৬. আগাছা দমনঃ
তিনটি অপশনঃ
•
হাত নিড়ানিঃ দুইবার বা
তিনবার হাত নিড়ানি।ধান লাগানোর ১২-১৫ দিন পর একবার, ৩০-৩৫ দিন পর একবার এবং যদি প্রয়োজন হয়, ৪০-৪৫
দিন পর একবার
•
আগাছানাশক প্রয়োগঃ প্রি
বা পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক প্রয়োগ এবং পরবর্তিতে ৩৫-৪০ দিন পর একবার হাত
নিড়ানি। প্রি- ইমারজেন্স আগাছানাশক জমিতে আগাছা জন্মানোর আগে (৩-৫ দিন পর) এবং
পোস্ট ইমারজেন্স আগাছানাশক জন্মানোর পর (৮-২০ দিন) প্রয়োগ করতে হবে।
•
নিড়ানি যন্ত্রের সাহায্যে
আগাছা দমনঃ লাইন করে (২০সেমি ×২০ সেমি) ধান
লাগানোর ১৫-১৮ দিন পর নিড়ানি যন্ত্রের ব্যাবহার এবং পরে ৩০-৪০ দিন পর একবার হাত
দিয়ে নিড়ানি।
৭. সেচ ব্যবস্থাপনাঃ আমন
ধান বৃষ্টিনির্ভর হলেও চারা রোপনের উপযুক্ত সময়ে বৃষ্টি না হলে প্রয়োজনে সম্পুরক
সেচ দিয়ে রোপন করতে হবে। ধানের প্রজনন পর্যায়ের কাইচ থোড় অবস্থা থেকে পরিপক্ক
পর্যায়ের দুধ অবস্থা পর্যন্ত অনাবৃষ্টিজনিত খরা দেখা দিলে কাঙ্খিত ফলনের জন্য
জমিতে অবশ্যই সম্পূরক সেচ প্রদান করতে হবে।